শেয়ারবাজার থেকে বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে ৪০০ কোটি টাকা সংগ্রহ করতে যাচ্ছে বিদ্যুৎ খাতের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান কনফিডেন্স পাওয়ার অ্যান্ড এনার্জি পিএলসি। সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন সম্প্রসারণে এই সংগৃহীত অর্থ বিনিয়োগ করবে কোম্পানিটি।
এ উপলক্ষে গতকাল রোববার (১৮ অক্টোবর) রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণে রোড শো সম্পন্ন করেছে কোম্পানিটি। অনুষ্ঠানে যোগ্য বিনিয়োগকারীদের (Eligible Investors) সামনে প্রতিষ্ঠানের বর্তমান আর্থিক অবস্থান, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও মূলধনি ব্যয়ের বিবরণ বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়।
☀️ ৪,০০০ কোটি টাকার মেগা বিনিয়োগ ও সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প
তেলচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিচালনায় সফলতার পর এবার ক্লিন এনার্জি বা নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের বড় পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে কনফিডেন্স পাওয়ার।
- মোট সৌরবিদ্যুৎ লক্ষ্যমাত্রা: সৌরবিদ্যুৎ থেকে ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য কোম্পানিটি প্রায় ৪,০০০ কোটি টাকার একটি বৃহৎ মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে।
- আইপিও তহবিল: এই প্রকল্পের অংশ হিসেবেই শেয়ারবাজারের আইপিও থেকে ৪০০ কোটি টাকা তুলবে তারা।
- নতুন চুক্তি: সদ্য সমাপ্ত অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদে দরপত্রে অংশ নিয়ে সরকারের সঙ্গে তিনটি বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের চুক্তি সম্পন্ন করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
- কক্সবাজার ও বাগেরহাট প্রকল্প: এর মধ্যে কক্সবাজার ও বাগেরহাটে ১০০ মেগাওয়াট করে মোট ২০০ মেগাওয়াট সক্ষমতার দুটি সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রে প্রায় ২,১৫০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হবে।
📊 আর্থিক চিত্র ও কর্পোরেট সাফল্য
কনফিডেন্স গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান কনফিডেন্স পাওয়ার গত ৯ বছর ধরে দেশে সফলতার সঙ্গে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে।
| বিবরণ | তথ্য |
| ২০২৫-২৬ অর্থবছরের রাজস্ব/টার্নওভার | ১,৭৭১ কোটি টাকা |
| কর-পরবর্তী নিট মুনাফা | ৪৭৭ কোটি টাকা |
| মোট সম্পদ মূল্য (জুন ২০২৬) | ৫,১৬৩ কোটি টাকা |
| গ্রুপের কাজের পরিধি | ২০টি প্রতিষ্ঠান, ৪,৫০০+ কর্মসংস্থান |
ইতিহাস ও পরিচিতি: ১৯৯১ সালে সিমেন্ট খাতের মাধ্যমে ব্যবসায়িক যাত্রা শুরু করে কনফিডেন্স গ্রুপ। পরবর্তীতে অবকাঠামো ও বিদ্যুৎসহ নানা শিল্প খাতে শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করে তারা। বর্তমানে বগুড়ায় ১১৩ মেগাওয়াট সক্ষমতার দুটি এবং রংপুরে সমপরিমাণ সক্ষমতার একটি সফল তেলচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্র সচল রয়েছে।
ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে রয়েছে ইউসিবি ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড এবং রেজিস্ট্রার টু দ্য ইস্যু হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে প্রাইম ব্যাংক ইনভেস্টমেন্ট পিএলসি।








