Author: Gmf

  • শেয়ারবাজার থেকে ৪০০ কোটি টাকা তুলবে কনফিডেন্স পাওয়ার

    শেয়ারবাজার থেকে ৪০০ কোটি টাকা তুলবে কনফিডেন্স পাওয়ার

    শেয়ারবাজার থেকে বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে ৪০০ কোটি টাকা সংগ্রহ করতে যাচ্ছে বিদ্যুৎ খাতের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান কনফিডেন্স পাওয়ার অ্যান্ড এনার্জি পিএলসি। সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন সম্প্রসারণে এই সংগৃহীত অর্থ বিনিয়োগ করবে কোম্পানিটি।

    এ উপলক্ষে গতকাল রোববার (১৮ অক্টোবর) রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণে রোড শো সম্পন্ন করেছে কোম্পানিটি। অনুষ্ঠানে যোগ্য বিনিয়োগকারীদের (Eligible Investors) সামনে প্রতিষ্ঠানের বর্তমান আর্থিক অবস্থান, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও মূলধনি ব্যয়ের বিবরণ বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়।

    ☀️ ৪,০০০ কোটি টাকার মেগা বিনিয়োগ ও সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প

    তেলচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিচালনায় সফলতার পর এবার ক্লিন এনার্জি বা নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের বড় পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে কনফিডেন্স পাওয়ার।

    • মোট সৌরবিদ্যুৎ লক্ষ্যমাত্রা: সৌরবিদ্যুৎ থেকে ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য কোম্পানিটি প্রায় ৪,০০০ কোটি টাকার একটি বৃহৎ মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে।
    • আইপিও তহবিল: এই প্রকল্পের অংশ হিসেবেই শেয়ারবাজারের আইপিও থেকে ৪০০ কোটি টাকা তুলবে তারা।
    • নতুন চুক্তি: সদ্য সমাপ্ত অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদে দরপত্রে অংশ নিয়ে সরকারের সঙ্গে তিনটি বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের চুক্তি সম্পন্ন করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
    • কক্সবাজার ও বাগেরহাট প্রকল্প: এর মধ্যে কক্সবাজার ও বাগেরহাটে ১০০ মেগাওয়াট করে মোট ২০০ মেগাওয়াট সক্ষমতার দুটি সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রে প্রায় ২,১৫০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হবে।

    📊 আর্থিক চিত্র ও কর্পোরেট সাফল্য

    কনফিডেন্স গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান কনফিডেন্স পাওয়ার গত ৯ বছর ধরে দেশে সফলতার সঙ্গে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে।

    বিবরণতথ্য
    ২০২৫-২৬ অর্থবছরের রাজস্ব/টার্নওভার১,৭৭১ কোটি টাকা
    কর-পরবর্তী নিট মুনাফা৪৭৭ কোটি টাকা
    মোট সম্পদ মূল্য (জুন ২০২৬)৫,১৬৩ কোটি টাকা
    গ্রুপের কাজের পরিধি২০টি প্রতিষ্ঠান, ৪,৫০০+ কর্মসংস্থান

    ইতিহাস ও পরিচিতি: ১৯৯১ সালে সিমেন্ট খাতের মাধ্যমে ব্যবসায়িক যাত্রা শুরু করে কনফিডেন্স গ্রুপ। পরবর্তীতে অবকাঠামো ও বিদ্যুৎসহ নানা শিল্প খাতে শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করে তারা। বর্তমানে বগুড়ায় ১১৩ মেগাওয়াট সক্ষমতার দুটি এবং রংপুরে সমপরিমাণ সক্ষমতার একটি সফল তেলচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্র সচল রয়েছে।

    ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে রয়েছে ইউসিবি ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড এবং রেজিস্ট্রার টু দ্য ইস্যু হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে প্রাইম ব্যাংক ইনভেস্টমেন্ট পিএলসি।

  • ডিসেম্বরের মধ্যে টি+১ ও স্ক্রিপ্ট নিটিং চালুর পরিকল্পনা

    ডিসেম্বরের মধ্যে টি+১ ও স্ক্রিপ্ট নিটিং চালুর পরিকল্পনা

    ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) নুজহাত আনোয়ার পুঁজিবাজারের আধুনিকায়ন ও উন্নয়নে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগের কথা জানিয়েছেন। মঙ্গলবার(২২ সেপ্টেম্বর) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) সহযোগিতায় বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষা ও বাজারের স্বাভাবিক গতি বজায় রেখে এসব সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

    পুঁজিবাজারে লেনদেন প্রক্রিয়া আরও দ্রুত ও সহজ করতে স্ক্রিপ্ট নিটিং ও টি+১ (T+1) সেটেলমেন্ট ব্যবস্থা চালুর কাজ চলছে। ডিএসই ২০২৬ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে এ দুটি সুবিধা চালুর লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। এছাড়া, বাজারে নতুন বৈচিত্র্য আনতে আর্থিক ডেরিভেটিভস চালুর পরিকল্পনা রয়েছে, যা প্রয়োজনীয় সচেতনতা তৈরি ও সিস্টেমে প্রয়োজনীয় হালনাগাদ শেষে ২০২৮ সালের জানুয়ারির মধ্যে চালু করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

    ওপেন-এন্ডেড মিউচুয়াল ফান্ডের জন্য একটি পৃথক প্ল্যাটফর্ম বা মডিউল তৈরির কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে, যা আগামী নভেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে চালু হতে পারে। এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীরা সহজেই মিউচুয়াল ফান্ড কেনাবেচা ও রিডিম করতে পারবেন, যা বাজারে শৃঙ্খলার পাশাপাশি বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়াতে সাহায্য করবে।

    বন্ড মার্কেটের উন্নয়নে ইস্যু সংক্রান্ত বিভিন্ন খরচ প্রায় ৮০ শতাংশ পর্যন্ত কমানো হয়েছে, যাতে নতুন বন্ডগুলো মূল বোর্ডে তালিকাভুক্ত হতে উৎসাহিত হয়। পাশাপাশি সেকেন্ডারি মার্কেটে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের বন্ড লেনদেনে আরও সক্রিয় করতে ডিএসই কাজ করছে।

    ডিএসইর প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়াতে নাসডাকের নতুন সফটওয়্যারভিত্তিক ম্যাচিং ইঞ্জিন চালুর কাজ এগোচ্ছে, যা ২০২৮ সালের জানুয়ারিতে চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে। এর পাশাপাশি চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে ডিজাস্টার রিকভারি (ডিআর) সিস্টেম হালনাগাদসহ সার্বিক আইটি অবকাঠামোকে আরও স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূল্যের আওতায় আনা হচ্ছে।

  • বিনিয়োগকারীদের জন্য নতুন ওয়েবসাইট চালু করল ডিএসই

    বিনিয়োগকারীদের জন্য নতুন ওয়েবসাইট চালু করল ডিএসই

    শেয়ারবাজারের আধুনিকায়ন এবং বিনিয়োগকারীদের সেবা আরও সহজ করতে নতুন ও আধুনিক ওয়েবসাইট চালু করেছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করে তৈরি করা নতুন ওয়েবসাইটে বিনিয়োগকারীদের জন্য বিভিন্ন তথ্য ও সেবা আরও সহজভাবে উপস্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

    মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) ডিএসই আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে নতুন ওয়েবসাইটটির উদ্বোধন করা হয়। ডিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) নুজহাত আনোয়ার অনুষ্ঠানে বলেন, বিনিয়োগকারীদের চাহিদা ও ব্যবহারিক সুবিধার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে নতুন ওয়েবসাইটটি ডিজাইন করা হয়েছে। এতে বিভিন্ন নতুন ক্যাটাগরি ও ফিচার যুক্ত করা হয়েছে।

    ডিএসইর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নতুন ওয়েবসাইটে বিনিয়োগকারীরা প্রয়োজনীয় বিভিন্ন তথ্য এক জায়গা থেকে পাওয়ার সুযোগ পাবেন। ফলে বাজারসংক্রান্ত তথ্য খোঁজা এবং ডিএসইর বিভিন্ন সেবা ব্যবহারের প্রক্রিয়া আগের তুলনায় সহজ হওয়ার কথা।

    ডিএসই জানিয়েছে, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে নতুন ওয়েবসাইটটি সবার জন্য উন্মুক্ত করা হবে। তবে বিনিয়োগকারীরা যাতে ধীরে ধীরে নতুন প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে অভ্যস্ত হতে পারেন, সে জন্য পুরোনো ওয়েবসাইটও ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত চালু রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।

    এরপর পুরোনো ওয়েবসাইট বন্ধ করে নতুন ওয়েবসাইটের মাধ্যমেই ডিএসইর অনলাইন কার্যক্রম পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে।

    New Website Link – https://new.dsebd.org/

  • শেয়ারবাজারের সংকট নিরসনে ডিএসই ও ডিবিএ-এর যৌথ উদ্যোগ

    শেয়ারবাজারের সংকট নিরসনে ডিএসই ও ডিবিএ-এর যৌথ উদ্যোগ

    শেয়ারবাজারের বর্তমান পরিস্থিতি পর্যালোচনা এবং দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত সমস্যাগুলো সমাধানের লক্ষ্যে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও শীর্ষ ব্রোকারেজ হাউসগুলোর মধ্যে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    বৈঠকের মূল প্রস্তাবনাসমূহ:

    ১. বন্ধ থাকা প্রি-ওপেনিং সেশন পুনরায় চালুর সম্ভাব্যতা যাচাই।

    ২. বাজারে তারল্য বাড়াতে বন্ড ও নতুন ফিন্যান্সিয়াল ইন্সট্রুমেন্টের পরিধি সম্প্রসারণ।

    ৩. বাংলাদেশ ব্যাংকের বিশেষ স্কিমের মেয়াদ বৃদ্ধি এবং ব্রোকারেজ হাউসগুলোর জন্য মার্জিন নেট-অফ সুবিধা।

    ৪. ঢালাও তদারকির বদলে তথ্যভিত্তিক ও ঝুঁকিভিত্তিক সার্ভিলেন্স ব্যবস্থা চালু।

    ৫. বিদেশি বিনিয়োগের নীতিগত বাধা দূর করা এবং শীর্ষস্থানীয় ভালো কোম্পানিগুলোকে বাজারে তালিকাভুক্ত করা।

    ডিবিএ সভাপতি সাইফুল ইসলাম উল্লেখ করেন যে, সমস্যা চিহ্নিত করার পাশাপাশি বাস্তবভিত্তিক সমাধানের ওপরই এখন সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

  • শেয়ারবাজার শক্তিশালী করতে নতুন পরিকল্পনা বিএসইসির

    শেয়ারবাজার শক্তিশালী করতে নতুন পরিকল্পনা বিএসইসির

    চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (সিসিসিআই) ও আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড আয়োজিত ‘ক্যাপিটাল মার্কেট গ্রোথ ডায়ালগ’-এ দেশের পুঁজিবাজারের উন্নয়ন ও দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়ন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিয়েছেন নীতিনির্ধারক ও ব্যবসায়ীরা।

    বক্তাদের মূল বক্তব্য ও প্রস্তাবনাসমূহ:

    • পুঁজিবাজারকে আরও গভীর ও শক্তিশালী করতে ভালো মানের কোম্পানিগুলোকে দ্রুত তালিকাভুক্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিএসইসি চেয়ারম্যান মাসুদ খান।
    • বাংলাদেশের দৈনিক লেনদেনের অনুপাত (০.১৪%) আঞ্চলিক অন্যান্য দেশ যেমন পাকিস্তান (০.১৯%), ভিয়েতনাম (০.২১%), থাইল্যান্ড (০.২৩%) ও ভারতের (০.২৬%) চেয়ে বেশ কম। দৈনিক লেনদেন ১,৫০০ কোটি টাকায় উন্নীত করতে পারলে এই অনুপাত ০.৩৯%-এ পৌঁছাবে।
    • বিএসইসি চেয়ারম্যান উল্লেখ করেন, ১ বছরের জন্য আমানত নিয়ে ৮ বছরের জন্য ঋণ দেওয়া ব্যাংকের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। ব্যবসায়ীদের দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নের ক্ষেত্রে ব্যাংকের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা কমিয়ে শেয়ারবাজারমুখী হওয়ার তাগিদ দেওয়া হয়।
    • আইপিও ও ডাইরেক্ট লিস্টিং সহজ করার পাশাপাশি শেয়ারের সঠিক মূল্য নির্ধারণে আন্তর্জাতিক মানের ‘বুক বিল্ডিং’ পদ্ধতি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করছে বিএসইসি।
    • বিএসইসিকে ব্যবসায়ীদের কেবল ‘অধস্তন’ না ভেবে ‘অংশীদার’ হিসেবে বিবেচনা করা এবং আমলাতান্ত্রিক জটিলতা দূর করার অনুরোধ জানান সিসিসিআই সভাপতি আমিরুল হক।
    • মেগা প্রকল্পে ১৫-২০ বছরের দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নে ব্যাংকের চাপ কমাতে শেয়ারবাজারের ডেট সেগমেন্ট—যেমন দীর্ঘমেয়াদি বন্ড ও মিউচুয়াল ফান্ডের উন্নয়ন জরুরি বলে মন্তব্য করেন আইডিএলসি চেয়ারম্যান কাজী মাহমুদ সাত্তার।

    অনুষ্ঠানে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) শীর্ষ কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

  • জিপিএইচ ইস্পাতের লভ্যাংশ ঘোষণা

    জিপিএইচ ইস্পাতের লভ্যাংশ ঘোষণা

    পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত প্রকৌশল খাতের কোম্পানি জিপিএইচ ইস্পাত লিমিটেড গত ৩০ জুন, ২০২৬ তারিখে সমাপ্ত হিসাববছরের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। কোম্পানিটি আলোচিত বছরের জন্য সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের ২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেবে। কোম্পানির উদ্যোক্তা-শেয়ারহোল্ডার ও পরিচালকরা কোনো লভ্যাংশ নেবেন না।

    শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত কোম্পানি পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে সর্বশেষ হিসাববছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর লভ্যাংশ সংক্রান্ত এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    সূত্র অনুসারে, সর্বশেষ বছরে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি ৭ পয়সা আয় হয়েছে। আগের বছর শেয়ার প্রতি ৫১ পয়সা লোকসান হয়েছিল।

    গত বছর কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি ক্যাশ ফ্লো ছিল ১৫ টাকা ৭৩ পয়সা। আগের বছর ক্যাশ ফ্লো ছিল ৫ টাকা ৭৮ পয়সা।

    গত ৩০ জুন, ২০২৬ তারিখে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ছিল ৫১ টাকা ৮১ পয়সা।

    আগামী ২৫ অক্টোবর, সকাল ১১টায় হাইব্রিড পদ্ধতিতে কোম্পানিটির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। এর জন্য রেকর্ড তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ১ অক্টোবর।

  • ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (DSE) বড় উদ্যোগ: ওপেন-এন্ড মিউচুয়াল ফান্ড লেনদেনে অটোমেশন!

    ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (DSE) বড় উদ্যোগ: ওপেন-এন্ড মিউচুয়াল ফান্ড লেনদেনে অটোমেশন!

    বাংলাদেশের পুঁজিবাজারকে আরও প্রযুক্তিবান্ধব ও সহজলভ্য করতে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (DSE) একটি ওয়েব-ভিত্তিক ডিজিটাল অর্ডার কালেকশন প্ল্যাটফর্ম চালুর পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে

    এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ওপেন-এন্ড মিউচুয়াল ফান্ড (OEMF) ইউনিট ক্রয় (Creation) এবং রিডেম্পশন/পুনঃক্রয় (Redemption) সম্পূর্ণ অনলাইনে সম্পন্ন করা যাবে।

    প্ল্যাটফর্মটির প্রধান সুবিধাসমূহ:

    • মাল্টি-ডিভাইস সুবিধা: বিনিয়োগকারীরা ডেক্সটপ টার্মিনাল এবং মোবাইল অ্যাপ উভয় মাধ্যম থেকেই সহজেই বাই ও সেল অর্ডার দিতে পারবেন।
    • স্টকব্রোকারদের ভূমিকা: DSE-এর তালিকাভুক্ত স্টকব্রোকাররা ফান্ড ম্যানেজার বা অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানির (AMC) সেলিং বা ডিলিং এজেন্ট হিসেবে বিনিয়োগকারীদের সহায়তা করবেন
    • এনএভি (NAV) ভিত্তিক লেনদেন: BSEC (Mutual Fund) Rules, 2025 অনুযায়ী ফান্ড ম্যানেজারদের নির্ধারিত মূল্যে ইউনিট কেনাবেচা হবে।
    • একটি সমন্বিত প্ল্যাটফর্ম: সিস্টেমটি DSE, ব্রোকারেজ হাউজ, অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি (AMC), কাস্টডিয়ান এবং CDBL-কে একটি নেটওয়ার্কে যুক্ত করবে।
    • ক্যাপিটাল মার্কেটে এর প্রভাব: বাংলাদেশে বর্তমানে ১০৪টি ওপেন-এন্ড মিউচুয়াল ফান্ড রয়েছে, যার মোট সম্পদ মূল্য প্রায় ৮,৫৯৩.৫ কোটি টাকা।

    এতদিন ম্যানুয়াল ও কাউন্টার-ভিত্তিক ব্যবস্থার কারণে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের লেনদেনে জটিলতা হতো। এই অটোমেটেড প্ল্যাটফর্ম চালু হলে বাজারে রিটেইল অংশগ্রহণ বৃদ্ধি পাবে, তরলতা (Liquidity) বাড়বে এবং বিনিয়োগকারীরা সহজেই তাদের পোর্টফোলিও ডাইভারসিফাই করতে পারবেন।

  • পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরাতে ডিএসই-ডিবিএর জরুরি বৈঠক

    পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরাতে ডিএসই-ডিবিএর জরুরি বৈঠক

    পুঁজিবাজারের সাম্প্রতিক অস্থিরতা ও বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগ কাটিয়ে বাজারে স্বাভাবিক ও স্থিতিশীলতা ফেরাতে জরুরি বৈঠক করেছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন (ডিবিএ)। গতকাল (মঙ্গলবার) সকাল ১১টায় ভার্চুয়ালি এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় ডিএসই ও এর সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলোর করণীয় নিয়ে আলোচনা হয়।

    বৈঠকে ব্রোকারেজ হাউসগুলোর কার্যক্রম, বাজারে বিনিয়োগকারীদের আস্থা পুনরুদ্ধার এবং নতুন আইপিও ও আর্থিক পণ্যের সরবরাহ বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা করা হয়। একই সঙ্গে কোনো নির্দিষ্ট সময়ে বেশি শেয়ার লেনদেন হলেই সেটিকে অস্বাভাবিক বা অনিয়ম হিসেবে বিবেচনা না করে লেনদেনের ধরন, দামের ওপর প্রভাব, বিনিয়োগকারীর সক্ষমতাসহ সার্বিক বিষয় বিবেচনায় নিয়ে সুনির্দিষ্ট মানদণ্ড নির্ধারণের দাবি জানানো হয়।

    বৈঠকে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) চেয়ারম্যান মমিনুল ইসলাম বলেন, বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ সুরক্ষায় ইনভেস্টর প্রোটেকশন ফান্ড (আইপিএফ) নিয়ে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

    নতুন আইপিও ও আর্থিক পণ্যের সরবরাহ বাড়ানোকে ডিএসইর অন্যতম অগ্রাধিকার হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি। মমিনুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বাজারে নতুন আইপিও না আসা এবং ফিক্সড ইনকাম সিকিউরিটিজের সীমিত উপস্থিতি পুঁজিবাজারের অন্যতম দর্বলতা।

    এ পরিস্থিতিতে নতুন বন্ডের লিস্টিং ফি কমানো হয়েছে। পাশাপাশি ২০২৭ সালের মার্চ পর্যন্ত আইপিও বা ডাইরেক্ট লিস্টিংয়ের আবেদনকারী কোম্পানির প্রথম বছরের লিস্টিং ফির ৫০ শতাংশ মওকুফের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

    মমিনুল ইসলাম বলেন, বাজারকে আরও সুশৃঙ্খল, স্বচ্ছ ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন করতে হলে সব পক্ষকে নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে হবে।

    এছাড়া বৈঠকে ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশনের (ডিবিএ) সভাপতি সাইফুল ইসলাম বলেন, পুঁজিবাজারের বর্তমান পরিস্থিতিতে বিনিয়োগকারী ও বাজারসংশ্লিষ্টদের মধ্যে তৈরি হওয়া উদ্বেগ ও বিভ্রান্তি দূর করতে এ ধরনের মতবিনিময় সভা সময়োপযোগী।

     বৈঠকে বাজারের বর্তমান পরিস্থিতি, স্থিতিশীলতা বজায় রাখা, সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলোর দায়িত্ব এবং পুঁজিবাজারের ভবিষ্যৎ উন্নয়ন নিয়ে ডিএসই ও ডিবিএর সদস্য প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের মধ্যে মতবিনিময় হয়।

  • ডেসকোকে ৪ কোটি ৫৯ লাখ শেয়ার ইস্যুর অনুমতি দিল বিএসইসি

    ডেসকোকে ৪ কোটি ৫৯ লাখ শেয়ার ইস্যুর অনুমতি দিল বিএসইসি

    বিদ্যুৎ খাতের রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানি ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি লিমিটেড (ডেসকো) সরকারের ইকুইটির বিপরীতে ৪৫ কোটি ৯০ লাখ টাকার অগ্রাধিকারমূলক শেয়ার ইস্যু করবে। এ শেয়ার ইস্যুর জন্য কোম্পানিটিকে সম্মতি সম্মতি দিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

    তথ্য অনুযায়ী, গত ৩১ আগস্ট দেয়া এক চিঠির মাধ্যমে বিএসইসি এ-সংক্রান্ত সম্মতি দিয়েছে। বিএসইসির অনুমোদন অনুযায়ী, প্রতিটি ১০ টাকা মূল্যের মোট ৪ কোটি ৫৯ লাখ অনবসায়নযোগ্য নন-কিউমুলেটিভ অগ্রাধিকারমূলক শেয়ার ইস্যু করা হবে, যার মোট মূল্য ৪৫ কোটি ৯০ লাখ টাকা। সরকারের বাংলাদেশ অনুকূলে হবে; যেখানে সরকারের পক্ষে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীন বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব প্রতিনিধিত্ব করবেন।

    ডেসকোর এই অগ্রাধিকারমূলক শেয়ারের বৈশিষ্ট হচ্ছে এটি অবসায়নযোগ্য নয় এবং অক্রমপুঞ্জীভূত। এর মানে হচ্ছে কোম্পানি সচল থাকা অবস্থায় এই শেয়ারে বিনিয়োগের অর্থ ফেরতযোগ্য নয় তবে কোম্পানির অবসায়নের ক্ষেত্রে অর্থ ফেরতের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবে। তাছাড়া কোনো বছরে এই শেয়ারের বিপরীতে লভ্যাংশ পাওয়া না গেলে সেটি ক্রমপুঞ্জীভূত হয়ে পরবর্তী বছরে যোগ হওয়ার সুযোগ নেই।

    আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জুলাই-মার্চ) ডেসকোর শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৪৬ পয়সা। আগের হিসাব বছরে শেয়ারপ্রতি লোকসান ছিল ১ টাকা ৯৮ পয়সা।

  • জনস্বার্থের কোম্পানির শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তি বাধ্যতামূলক করবে BSEC

    জনস্বার্থের কোম্পানির শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তি বাধ্যতামূলক করবে BSEC


    দেশের পুঁজিবাজারে ভালো ও বড় কোম্পানিগুলোর অংশগ্রহণ বাড়াতে নির্দিষ্ট শ্রেণির ‘জনস্বার্থের কোম্পানি’কে (Public Interest Company) শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত করা বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (BSEC)।

    BSEC চেয়ারম্যান মাসুদ খান জানিয়েছেন, বিদ্যমান Securities Act-এর আওতায় জনস্বার্থে কোনো কোম্পানিকে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার নির্দেশ দেওয়ার ক্ষমতা কমিশনের রয়েছে। এখন কোন কোন কোম্পানি ‘জনস্বার্থের কোম্পানি’ হিসেবে বিবেচিত হবে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট সংজ্ঞা ও বিধিমালা প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

    🔹 সরাসরি তালিকাভুক্তির সুযোগ
    বড় ও প্রতিষ্ঠিত কোম্পানিগুলোকে দ্রুত পুঁজিবাজারে আনার লক্ষ্যে Direct Listing ব্যবস্থা পুনরায় চালুর উদ্যোগও নিয়েছে BSEC। প্রস্তাবিত বিধিমালার আওতায় যোগ্য কোম্পানিগুলো IPO ছাড়াই বিদ্যমান শেয়ারহোল্ডারদের হাতে থাকা শেয়ারের একটি অংশ বাজারে ছাড়ার মাধ্যমে তালিকাভুক্ত হতে পারবে।

    🔹 IPO প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন
    BSEC চেয়ারম্যান বলেন, বর্তমানে IPO প্রক্রিয়ায় কোম্পানিগুলোকে DSE ও BSEC—উভয় জায়গায় বিভিন্ন নথিপত্র জমা দিতে হয়, ফলে প্রক্রিয়াটি দীর্ঘ হয়। এ কারণে IPO প্রক্রিয়া আরও সহজ ও কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। নতুন IPO বিধিমালা নিয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে পরামর্শ করা হচ্ছে।

    🔹 Hybrid Listing চালুর পরিকল্পনা
    নতুন ব্যবস্থায় Hybrid Listing চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে। এর মাধ্যমে একটি কোম্পানি তার কিছু শেয়ার Direct Listing-এর মাধ্যমে এবং কিছু শেয়ার IPO-এর মাধ্যমে বাজারে ছাড়তে পারবে। BSEC-এর লক্ষ্য হলো, এর মাধ্যমে ভালো ও সম্ভাবনাময় কোম্পানিগুলোকে পুঁজিবাজারে আসতে উৎসাহিত করা।

    📊 পুঁজিবাজারে সম্ভাব্য প্রভাব
    BSEC-এর এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে—
    ✅ বড় ও প্রতিষ্ঠিত কোম্পানির তালিকাভুক্তি বাড়তে পারে
    ✅ বাজারে নতুন ও মানসম্মত শেয়ারের সরবরাহ বাড়বে
    ✅ IPO প্রক্রিয়া তুলনামূলক দ্রুত ও সহজ হতে পারে
    ✅ Direct Listing-এর মাধ্যমে কোম্পানির বাজারে প্রবেশের বিকল্প পথ তৈরি হবে
    ✅ পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ও বাজারের গভীরতা বাড়াতে সহায়ক হতে পারে
    BSEC একই সঙ্গে বাজারকে আরও প্রযুক্তিনির্ভর ও স্বচ্ছ করার পরিকল্পনা করছে। এর অংশ হিসেবে AI-powered surveillance, ডিজিটাল ট্রেডিং এবং T+1 settlement-সহ বিভিন্ন সংস্কারের কথা বলা হয়েছে।